মাত্র ২০,০০০ টাকায় ব্রয়লার মুরগির খামার শুরু করুন
বাংলাদেশের আর্থসামাজিক অবস্থা বিবেচনা করে বর্তমানে বেকারত্বের হার দিন দিন
বেড়ে চলেছে। সীমিত চাকরি কিন্তু অধিক চাকরিপ্রার্থী, এ জটিল অবস্থা যেন কোন
ভাবেই সমন্বয় করা সম্ভব হচ্ছে না। তাই আমাদের উচিত চাকরির পেছনে না ছুটে
উদ্যোক্তা হয়ে সফলতা অর্জন করা।
এক্ষেত্রে ব্রয়লার মুরগি চাষ করে একজন সফল খামারি হিসেবে নিজের ক্যারিয়ার গড়ে তোলা সময়োপযোগী সিদ্ধান্ত। কিন্তু আমাদের অনেকের ইচ্ছা থাকলেও মূলধনের অভাবে আমরা শুরু করতে পারি না। তাই আজকে আমরা মাত্র ২০ হাজার টাকার মধ্যে কিভাবে বয়লার মুরগির খামার শুরু করতে পারি সে সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করবো।
পেজ সূচিপত্রঃ মাত্র ২০ হাজার টাকায় বয়লার মুরগির খামার শুরু
মাত্র ২০,০০০ টাকায় ব্রয়লার মুরগির খামার শুরু করুন২০ হাজার টাকায় বয়লার মুরগির খামার শুরু করা সম্ভব
আমাদের মধ্যে অনেকেই বয়লারের খামার করতে আগ্রহ প্রকাশ করেন। কিন্তু শুরুতেই একটি দ্বিধায় পড়ে যান মূলধন কম, সুতরাং অল্প টাকা ইনভেস্ট করে ব্রয়লারের খামার করা কি সম্ভব? আপনার এই প্রশ্নের উত্তরে আমি বলছি ,হ্যাঁ অবশ্যই সম্ভব। তবে এখানে একটি শর্ত আছে, আপনাকে শুরু থেকেই একটি পরিকল্পনা মাফিক কাজ করে যেতে হবে। অনেকেই খামারে এসে স্থাপনা এবং অবকাঠামোর ওপর অতিরিক্ত খরচ করে মূলধনের বেশি অংশ খরচ করে ফেলেন।
পরে যখন টাকা আসে না তখন হতাশ হয়ে পড়েন তাই শুরু করার আগে খুব বুঝে শুনে অপ্রাসঙ্গিক ব্যয় এড়িয়ে চলতে হবে। আমার পরিচিত এমন অনেক আছে যারা স্বল্প টাকায় খামার শুরু করে ধীরে ধীরে লাভ করে অবকাঠামোগত উন্নয়ন করেছে। নিচে ২০ হাজার টাকার মধ্যে বয়লার মুরগির খামার শুরু করার জন্য একটি খসড়া হিসাব আলোচনা করা হলো।
খরচের খাত------------------------আনুমানিক খরচ------------------------বিবরণ
বাচ্চা কেনা ৩০০০ থেকে ৩৫০০ ৫০ টি বাচ্চা ( ৭০-৮০ টাকা পিচ)
খাদ্য খরচ ১২০০০-১৩০০০ (স্টার্টার এবং গ্রোয়ার)
ঔষধ ও ভ্যাকসিন ১৫০০ রানিক্ষেত ভ্যাক্সিন ও ভিটামিন
অন্যান্য খরচ ১৫০০-২০০০ তুস লাইটিং ও সেড প্রস্তুতি
মোট ২০,০০০ টাকা
ব্রয়লার মুরগি পালনের জন্য সেড ও স্থান নির্বাচন
যেহেতু অন্যান্য মুরগির তুলনায় বয়লার মুরগির রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কম সেজন্য অতি যত্নের সাথে এদের লালন পালন করতে হয়। এক্ষেত্রে এদের বসবাসের জন্য সেড এবং স্থান অধিক গুরুত্বপূর্ণ। প্রথমত এমন স্থান নির্বাচন করতে হবে যেটা বয়লার মুরগি পালনের সাথে উপযুক্ত। নিচে এমন কিছু উপযুক্ত স্থান সম্পর্কে আলোচনা করা হলো, ১. উঁচু স্থান নির্বাচন এবং পানি নিষ্কাশনঃ খামারের আশেপাশে পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা ভালো থাকতে হবে যাতে বৃষ্টি হলে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি না হয়।
২. শব্দ দূষণ মুক্ত পরিবেশ নিশ্চিত করতে হবে। কারণ আমরা অনেকে জানি ব্রয়লার মুরগি অধিক শব্দ সহ্য করতে পারেনা এতে করে মুরগি স্ট্রোকের ঘটনা ঘটে। ৩. খামারের আশেপাশে সহজ যাতায়াত ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে হবে যাতে মুরগির দেখাশোনা করা এবং খাবার সরবরাহ সহ বাজারজাত প্রক্রিয়া সহজ হয়ে যায়।.৪. খামারে নিরবিচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ ও পানির ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে হবে। বিশেষ করে ছোট বাচ্চা উষ্ণতা খুবই গুরুত্বপূর্ণ তাই বিদ্যুৎ ঘাটতি হলে উষ্ণতার অভাবে ছোট বাচ্চা মারা যেতে পারে।
অধিক গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয় হলো আশেপাশে যদি অন্যান্য মুরগির খামার থাকে তাহলে সেখান থেকে একটি নির্দিষ্ট দূরত্বে খামার স্থাপন করতে হবে। কেননা মুরগির সাধারণত ছোঁয়াচে রোগ হয়ে থাকে। সেড নির্মাণ প্রক্রিয়াঃ ব্রয়লার মুরগির খামারের সেড পূর্ব-পশ্চিম দিকে দিতে হবে যাতে সকালের এবং পড়ন্ত বিকালের রোদ সরাসরি খামারে না লাগে এবং যাতে উত্তর এবং দক্ষিণ পাশ থেকে বাতাসের সরবরাহ ঠিক থাকে।
মেঝেঃ মুরগির খামারের মেঝে সিমেন্ট দিয়ে পাকা করে নিলে সবচেয়ে ভালো হয় এতে জীবাণু আক্রমণ রোধ করার পাশাপাশি মেঝে পরিষ্কার করতে সুবিধা হয়। দেয়ালঃ বয়লার মুরগির খামারের দেয়াল চারিপাশে শক্ত নেট দিয়ে দিতে হবে এবং যখন বর্ষাকাল বা শীতকাল তখন চারিপাশে ত্রিপল দিয়ে ঢেকে দেওয়া যায় এমন ব্যবস্থা রাখতে হবে।
ব্রয়লার মুরগির বাচ্চার যত্ন
ব্রয়লার মুরগি পালনে বাচ্চার যত্ন নেয়া সবচেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষ করে বাচ্চার বয়স যখন প্রথম দিন থেকে সপ্তম দিন, এই সময়ে খুব বেশি যত্ন নিতে হবে। কারণ এই সময়ে মুরগির রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা তৈরি হবে। মোটামুটি প্রথম এক সপ্তাহের উপরই নির্ভর করবে আপনার খামারের সফলতা। তাই খামারে বাচ্চা আসার আগে থেকেই কিছু প্রস্তুতি গ্রহণ করে রাখতে হবে যেমন, শেড জীবনমুক্ত করনঃ নতুন বাচ্চার খামারে প্রবেশ করার আগেই পুরো জায়গাটি জীবাণুমুক্ত করে নিতে হবে।
এরপরে লিটার প্রস্তুত করুনঃ ছোট বাচ্চাদের জন্য তুষের লিটার জীবনমুক্ত করে প্রস্তুত করে রাখতে হবে। ব্রডার ব্যবহার করাঃ বাচ্চারা যাতে উষ্ণতার অভাবে অসুস্থ না হয়ে যায় সেজন্য খামারে ব্রডার ব্যবহার করা হয়। খামারের ভেতরে মুরগির আচরণ দেখেই বুঝতে হবে মুরগির উষ্ণতার কোন সমস্যা আছে কিনা; যদি সব মুরগি একটি লাইটের নিচে এসে গাদাগাদি করে অবস্থান করে তাহলে বুঝতে হবে উষ্ণতার ঘাটতি রয়েছে, সেক্ষেত্রে আরো বেশি ওয়াটের বাল্ব ব্যবহার করে উষ্ণতা বাড়াতে হবে। বাচ্চার বয়স যখন ১ থেকে ১৪ দিন তখন স্টার্টার ফিড খেতে দিতে হবে।
খামারের ভেতরে বিশেষভাবে কিছু নিয়ম মেনে চলতে হবে
মুরগি পালন করার জন্য, বিশেষ করে বয়লার মুরগির খামারে বিশেষ কিছু নিয়ম মেনে চলতে হয়। ব্রয়লার মুরগির সুরক্ষা ও বৃদ্ধিতে এই নিয়মগুলো আপনি যত ভালোভাবে অনুসরণ করবেন মুরগির সুস্বাস্থ্য ও বৃদ্ধি তত ভালো থাকবে। *** খামারে বাইরের লোক প্রবেশ সীমিত করুনঃ ব্রয়লার মুরগির খামার অনেক সেনসিটিভ, বাইরে থেকে মানুষ নিয়মিত যাতায়াত করলে জীবাণু সংক্রমণ অনেক বেড়ে যেতে পারে।এতে এমন অবস্থা হতে পারে যে পুরো খামারে একসময় জীবনু আক্রান্ত হয়ে যেতে পারে।
তাই এই বিষয়টি বিশেষভাবে খেয়াল রাখা প্রয়োজন। ***রোগাক্রান্ত মুরগি আলাদা করুনঃ আমরা আগেই জেনেছি মুরগির রোগ গুলো সাধারণত ছোঁয়াচে, সুতরাং কোন ভাবে যদি একটি মুরগি আক্রান্ত হয় তাহলে তার থেকে খামারের সব মুরগি আক্রান্ত হওয়ার প্রবল সম্ভাবনা থাকে। তাই কোন মুরগি রোগ আক্রান্ত হওয়ার সাথে সাথে শনাক্ত করুন এবং আলাদা করে ফেলুন।
***খাবারের পাত্র পরিষ্কার রাখুনঃ ব্রয়লার মুরগিতে সাধারণত পানিবাহিত
খাদ্য থেকে বেশি রোগাক্রান্ত হয় তাই আপনাকে নিশ্চিত করতে হবে যে পাত্রে মুরগি
খাবার গ্রহণ করে সে পাত্র যাতে সবসময় জীবাণু মুক্ত থাকে। ***মশা ও পোকা
নিয়ন্ত্রণঃ খামারে অনেক সময় দেখা যায় বিভিন্ন পোকা এবং মশা মাছির উপক্রম হয়।
এ সকল আক্রমণ মুরগির স্বাভাবিকভাবে বেড়ে ওঠার বাধার সৃষ্টি করে তাই এদিকে বিশেষ
ভাবে লক্ষ্য রাখতে হবে। যদি পোকার আক্রমণ হয় তাহলে বাজারে নির্দিষ্ট কিছু স্প্রে
পাওয়া যায় সেগুলো প্রয়োগ করে পোকা মশা মাছি এগুলো নিধন করতে হবে।
ব্রয়লার মুরগির রানীক্ষেত রোগ কি এবং কিভাবে ছড়ায়
রানীক্ষেত রোগ বা নিউ ক্যাসেল ডিজিস মুরগির জন্য খুবই ভয়ঙ্কর একটি রোগ এটি মূলত ভাইরাস সংক্রমিত একটি রোগ এই রোগে আক্রান্ত হলে একই সাথে পুরো খামারের 70 থেকে 80 পার্সেন্ট পর্যন্ত মৃত্যুহার হয়ে থাকে রানীক্ষে ত রোগ যেভাবে ছড়ায়
- আক্রান্ত মুরগির লালা থেকে
- নাকের নিঃসরণ থেকে
- মলের মাধ্যমে বাতাসের মাধ্যমে
- খামারের যন্ত্রপাতি থেকে
- মানুষের জুতা ও কাপড় থেকে
- বন্যপ্রাণীর মাধ্যমে
রোগটি খামারে একটি মুরগির গায়ে ছড়িয়ে গেলে খামারের বাকি সব মুরগির
আক্রান্ত হতে পারে
- রানীক্ষেত রোগের লক্ষণ সমূহঃ অনেক সময় অনেক খামারি বুঝতেই পারেন না যে তার খামারে রানীক্ষেত রোগের প্রাদুর্ভাব ঘটেছে। সুতরাং খামারিকে অবশ্যই কিছু লক্ষণ সম্পর্কে সতর্ক থাকতে হবে যে লক্ষণগুলো দেখলে সহজেই বোঝা যাবে যে মুরগির রানীক্ষেত আক্রান্ত হয়েছে। আক্রান্ত মুরগি সাধারণত হাঁ করে নিশ্বাস নেয়। ঘন ঘন কাশি হয়। কন্ঠের মাধ্যমে ঘর ঘর শব্দ করে। এবং নাক দিয়ে পানি পড়ে। এছাড়াও মাথা ঘোরানো, ঘাড় বেঁকে যাওয়া এবং মুরগির স্বাভাবিক ভারসাম্য হারিয়ে ফেলা।
রানীক্ষেত রোগের চিকিৎসাঃ একবার রানীক্ষেত রোগ হয়ে গেলে
সুনির্দিষ্টি চিকিৎসা নেই বললেই চলে। তবে কিছু সাপোর্টিং চিকিৎসা গ্রহণ করলে
মুরগির দুর্বলতা ধীরে ধীরে হ্রাস পেতে থাকে। ব্রয়লার মুরগির রানীক্ষেত রোগ হলে
সাধারণত ইলেকট্রোলাইট খাবার দিতে হয়। গ্লুকোজ, ভিটামিন সি, ভিটামিন এ এবং ই ,
এনটি অক্সিডেন্ট। এছাড়া পূর্ব সতর্কতা হিসাবে রানীক্ষেত রোগ থেকে ব্রয়লার মুরগি
কে বাঁচাতে রানীক্ষেত রোগের টিকা দিতে হবে। টিকা সবচেয়ে বেশি কার্যকরী।
ব্রয়লার মুরগি পালন করে বেশি লাভবান হওয়ার উপায়
ব্রয়লার মুরগি পালন করে বেশি লাভবান হতে চাইলে কিছু কৌশল অবলম্বন করুন। খাবারের খরচ সীমিত করুন। পরিমিত পরিমাণ খাবার দিন, খাবারের অপচয় রোধ করুন। একসাথে বাল্ক ধরে খাবার কিনলে সস্তা দাম পড়ে। রোগ প্রতিরোধ সম্পর্কে সচেতন থাকুন। নিয়মিত টিকা দিন এতে মৃত্যুহার কমাতে সাহায্য করে। নিয়মিত খরচ হিসাব আপডেট রাখুন। নতুন মুরগি পালন পদ্ধতি সম্পর্কে শিখুন এবং প্রশিক্ষণে অংশ নিন।
এছাড়াও কিছু কৌশল আছে যা আপনাকে লাভবান হতে সাহায্য করবে যেমনঃ একসাথে বিক্রি না
করে ধাপে ধাপে মুরগি বিক্রি করুন। বড় মুরগি আলাদা দামে বিক্রি করুন। স্থানীয়
বাজার ব্যবহার করুন। অনলাইনে বিক্রয়ের ব্যবস্থা করুন।
ব্রয়লার মুরগি পালনে ভবিষ্যৎ সম্ভাবনা
ব্রয়লার মুরগি পালন ভবিষ্যৎ অনেক উজ্জ্বল। বর্তমানে যতদিন যাচ্ছে এর চাহিদা বাড়তেই আছে। পৃথিবীতে জনসংখ্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে সেই সাথে মানুষের আমিষের চাহিদা ও বৃদ্ধি পাচ্ছে। সুতরাং স্বল্প খরচে বিভিন্ন পেশার মানুষের সহজ আমিষের উৎস হিসেবে ব্রয়লার মুরগির অবদান অনেক গুরুত্বপূর্ণ। ব্রয়লার মুরগি নিম্নবিত্ত এবং ধনী সমাজের মানুষের আমিষের চাহিদা পূরণ করছে।
ব্রয়লার মুরগি পালন করে খুব দ্রুত সময়ের মধ্যে আয় করা সম্ভব। এই কারণে ভবিষ্যতে ব্রয়লার মুরগি পালনের আগ্রহ আরো বৃদ্ধি পাবে। বর্তমানে খাদ্যবাজারে ব্রয়লার মুরগির চাহিদা অনেক বেশি। আজকাল প্রায় রেস্টুরেন্টে ব্রয়লার মুরগি রেসিপি ছাড়া যেন অচল। শুধু বাংলাদেশে নয় পুরো পৃথিবীতেই বয়লার মুরগির মাংস জনপ্রিয়তা বেড়েছে।
তাই বর্তমানে এটি অনেক বড় খাত হিসেবে রূপান্তরিত হচ্ছে। এ কারণে যারা এই ব্যবসার সাথে সংশ্লিষ্ট তারা সরাসরি ধর্মের বা খামারের খামারিদের সাথে কন্টাক্ট ফার্মিং চুক্তি করছে। সর্বোপরি বয়লার মুরগি পালন দিনকে দিন বেড়িয়ে চলেছে; দেশের চাহিদা মিটিয়ে বিদেশে রপ্তানি প্রক্রিয়া অনেক আগে শুরু হয়ে গিয়েছে। সুতরাং বয়লার মুরগি পালনের ভবিষ্যৎ অনেক উজ্জ্বল এবং লাভজনক।
শেষ কথাঃ লেখকের মন্তব্য
ব্রয়লার মুরগি পালন একটি লাভজনক ব্যবসা। আপনি যদি সততার সাথে পরিশ্রম করে সঠিক পরিচর্যার মাধ্যমে ব্রয়লার মুরগি পালন করতে পারেন তাহলে আপনার সফলতা শুধু সময়ের ব্যাপার। বর্তমানে শিক্ষিত যুবকদের চাকরির পেছনে না ছুটে নিজে উদ্যোক্ত হয়ে অন্যকে চাকরি দেওয়া; নিজের উন্নতির পাশাপাশি দেশের উন্নয়নে ভূমিকা রাখা উচিত। ব্রয়লার মুরগি খামার শুরু করতে অন্যান্য ব্যবসার মতো খুব বেশি মূলধনের প্রয়োজন হয় না। অল্প কিছু মূলধন নিয়েই খুব সহজে শুরু করা যায়।
এভাবে অনেক উদ্যোক্তায় সফল হয়েছেন। পরবর্তীতে যখন আপনি নিয়মিত সফল হতে থাকবেন তখন আপনার চাহিদা অনুযায়ী খামার বড় করতে পারবেন। দিনশেষে সঠিক উপায়ে ব্রয়লার মুরগি পালন করে আপনি নিজেও আর্থিকভাবে স্বাবলম্বী হতে পারবেন পাশাপাশি নিজের পরিবারের খাদ্য নিশ্চিত করতে পারবেন। সুতরাং বাংলাদেশের বর্তমান প্রেক্ষাপট বিবেচনায় ব্রয়লার মুরগি পালন খুবই লাভজনক একটি সম্ভাবনাময় ব্যবসা।



অর্ডিনারি আইটির নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।
comment url